কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ ১০:৩৪ PM
কন্টেন্ট: পাতা
বাংলাদেশে বর্তমানে ২৪টি স্থলবন্দর এর মধ্যে ১৬টি স্থলবন্দর(বেনাপোল, ভোমরা, বুড়িমারী, তামাবিল, সোনাহাট, আখাউড়া, নাকুগাঁও, বিলোনিয়া, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, শেওলা, ধানুয়া কামালপুর, সোনামসজিদ, হিলি, বাংলাবান্ধা, বিবিরবাজার এবং টেকনাফ) চালু রয়েছে।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের উল্লেখযোগ্য অর্জন (প্রকৌশল শাখা)
১) ৩২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪১.০ একর জায়গার উপর বেনাপোল স্থলবন্দরে আধুনিক কার্গো ভেহিক্যাল টার্মিনাল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে নভেম্বর, ২০২৪ এ চালু করা হয়। টার্মিনালটি চালু হওয়ায় বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং একইসাথে বন্দরের যানজটও নিরসন হয়েছে।
২) বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সিলেট জেলাধীন ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরে প্রায় ১৭৫.০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বন্দরটি চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
৩) বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সিলেট জেলাধীন শেওলা স্থলবন্দরে প্রায় ৮৮.০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ও বন্দর ভবনসহ অন্যান্য অবকাঠামোর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
৪) বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে রামগড় স্থলবন্দরের প্রয়োজনীয় বন্দর অবকাঠামো নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
৫) বুড়িমারী স্থলবন্দর সম্প্রসারণের জন্য ১৮.৯২ একর জমির লিজ দলিল গত ২৬/০৬/২০২৫ তারিখে সম্পন্ন করা হয়েছে।
৬) ভোমরা স্থলবন্দর সম্প্রসারণের জন্য ৪৪.২৬০৮ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমোদনের জন্য গত ০৬/০৫/২০২৫ তারিখে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে।
৭) বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বেনাপোল স্থলবন্দরের সীমানা প্রাচীর, সিসিটিভি ক্যামেরা ও গেইট পাস সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে।
৮) গত ১৫ জুন, ২০২৫ তারিখ হতে সোনাহাট স্থলবন্দরের বিদ্যমান স্কেলকে অটোমেশন করা হয়েছে।
৯) বিগত অর্থবছরের বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ১৩ (তেরো) টি সরকারি অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি হয়েছে। যার জড়িত অর্থের পরিমাণ ২৮,৮৬,৪৯,৩১৭ (আটাশ কোটি ছিয়াশি লক্ষ ঊনপঞ্চাশ হাজার তিনশত সতেরো) টাকা।